৪টা কাজ রিজিক বেড়ে যায়। ১. রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়া। ২. সূর্য উঠার আগেই আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা চাওয়া। ৩. প্রতিদিন দান-সদকা করা। ৪. দিনের শুরুতে ও শেষে আল্লাহর যিকর করা।
৪টা কাজ রিজিক বেড়ে যায়। ১. রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়া। ২. সূর্য উঠার আগেই আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা চাওয়া। ৩. প্রতিদিন দান-সদকা করা। ৪. দিনের শুরুতে ও শেষে আল্লাহর যিকর করা।
যারা মহান আল্লাহর কাছ থেকে নিতে শিখে গেছে! তাদের আর দুনিয়ার কারো কাছ থেকে কিছু চাওয়ার দরকার নেই, কি শক্তিশালী চিন্তা!
আল্লাহ কোন আত্মাকে তার ভার বহন করার অতিরিক্ত বোঝা দেন না। – [আল কুরআন ২:২৮৬]
নিশ্চয় আমার সালাত আমার কুরবানী, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু আল্লাহর জন্য, যিনি সকল সৃষ্টির রব। (সূরা আল-আন’আম, আয়াত ১৬২)
৪টি কাজ রিজিক বাড়িয়ে দেয় : (১) প্রতিদিন দান সদকা করা। (২) রাত জেগে তাহাজ্জুদ পড়া। (৩) দিনের শুরুতে ও শেযে আল্লাহর জিকির করা। (৪) সূর্য উঠার আগে আল্লাহর কাছে বেশি বেশি ক্ষমা চাইলে। --ইমাম ইবনুল কাইয়োম রাহি.
পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন সব সময় Alhamdulillah❤️?
নিজেকে নিয়ে আফসোস হয়। আমি তো কিছুই পাওয়ার যোগ্য নয়। তবুও আমার আল্লাহ আমাকে কত নেয়ামত দিয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ
অসম্ভব জেনেও রবের কাছে চাইতে ভালো লাগে, যদি রব কখনো ❝কুন ফায়াকুন❞ বলে দেয়!
এমন এক সময় আসবে, যখন মুসলমানদের জন্য ঈমান ধরে রাখা। জ্বলন্ত কয়লা হাতের মধ্যে রাখার ন্যায় কঠিন হবে।
ছোট পাপকে ছোট বলিয়া অবহেলা করিও না, ছোটদের সমষ্টিই বড় হয়। - হজরত আলী (রা.)
সেহেরীর সময় মা নামক এলার্মটা যেন, দীর্ঘদিন বেঁচে থাকে। আমিন ?