মেয়েরা অনেক সেনসেটিভ জন্মগত ভাবে। এরা জেদী হয়, কিন্তু ভয়ংকর মমতা দিয়ে যাদেরকে ভালোবাসে তাদের আঁকড়ে ধরে থাকে। বাহির যতই অভিমান থাকুক নীরবে সে যত্ন করে যায়, তার আশেপাশে থাকা মানুষ গুলোকে। একজন মেয়ের জীবনে সবচেয়ে বড় মোটিভেশন হয়, যে মেয়েটিকে কোন এক জন পুরুষ ভালোবাসবে, এবং সে পুরুষটি তার মনের ভাইবসের সাথে ম্যাচ করবে। আর সে পুরুষটি তার জীবনে এক্সসাইমেন্ট নিয়ে আসবে। আর এদিকে পুরুষ মানুষ মোটিভেট হয় টাকা পয়সা কামানোর ব্যাপারটায় সাকসেস হলে। আয়েশ আরামে জীবন যাপন করতে পারলে। ওদিকে মেয়ে মানুষ যাকে ভালোবাসে তার ছোট ছোট সমস্ত ডিটেলস মনে রাখে। মেয়েটি সমস্ত ভাবনায় রাত থেকে দিন অব্দি তার ব্রেনে সে পুরুষটার জন্য ছক এঁকে রাখে। তার অনেক ইমোশন জড়ানো থাকে। না চাইতেও অনেক এক্সপেকটেশন তৈরী করে থাকে তার মনের গভীরে। আর পুরুষ মানুষের ভালোবাসাটা তার সমস্ত দিনের রুটিন কাজগুলোর মতন একটা পার্ট হয়ে থাকে।পুরুষ তার ব্রেনের সেল গুলোতে আলাদা আলাদা কাল্পনিক চেম্বার রাখে। সেখানে তার দায়িত্ব ও কর্তব্য ও ভালোবাসা কোনটার সাথে কোনটা মিক্সড করে না। তাই পুরুষ মানুষ কখনোই ভয়ংকর ডীপ লাভিং টাইপ সম্পর্ক তৈরী করতে পারে না । যদি পুরুষ মানুষ কখনো মেয়েদের মতন সমস্ত এক্সসাইটমেন্ট দিয়ে ভালোবাসে তবে ও মেয়েকে ছাড়া সে হয়তবা পাগলের মতন জীবন যাপন করে। আর এদিকে মেয়ে যতই সাকসেকফুল মানুষ হোক না কেন, যাকে ভালোবাসে তাকে নিয়ে তার, হাজারো স্বপ্ন তার প্রিয় পুরুষকে নিয়ে ঘিরে থাকে। তার ইচ্ছার ডানা অনেক লম্বা হয়ে থাকে। কারনে অকারনে এই যে মেয়েটি তার শখের পুরুষের সাথে অভিমান কিংবা রাগ করে। তার কারন সে তার শখের পুরুষ নিয়ে অনেক ভাবনা তৈরী করে ফেলেছে তার মনে। যখন দেখে তার পুরুষটি তার কল্পনার ধারে ছোঁয়ে যেতে পারে না। তখন সে মনে মনে ভেঙ্গে যায়। কারন মেয়েটিও চায় তার ছোট ছোট ডিটেলস পুরুষটি মনে রাখুক । যত্ন করুক , আর তার কথা মনযোগ দিয়ে শুনুক। কিন্ত পুরুষ যখন খেয়াল করে না এ বিষয় গুলোর দিকে, আর তখনই মেয়েটি আশাহত হয় চুপসে যায়। এবং মুভ অন করে নিজেকে গুটিয়ে নিতে থাকে। তাই মেয়েরা যখন তার শখের পুরুষটিকে প্রচন্ড এক্সাইটেড হয়ে ভালোবাসে, সে ভালোবাসাটা ধরে রাখতে, যে পুরুষটির উচিত তাকে যত্ন করা। তাকে আগলে রাখা। নয়ত পুরুষটি শখের পুরুষ হয়ে থাকলে তাকে ছেড়ে যেতে নারীরা দেরী করে না।কারন তারা অবহেলাকে বড্ড ঘৃনা করে।
Love Story
Public . 08-Nov-2024ছেলে এবং মেয়েদের ভালোবাসার মধ্যে পার্থক্য কি?