রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত তথ্য নিচে তুলে ধরা হল। রাজশাহী অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর, পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত রাজশাহী পদ্মা নদীর তীরে গড়ে ওঠা এক ঐতিহ্যবাহী নগরী।বিশ্ববিখ্যাত Rajshahi Silk বা রেশমের জন্য রাজশাহী সুপরিচিত। রাজশাহী বিভাগ (প্রতিষ্ঠা–১৮২৯) মোট জেলা: ৮ টি। রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, পাবনা, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, জয়পুরহাট। 🎓 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (University of Rajshahi) 📅 প্রতিষ্ঠা: ৬ জুলাই ১৯৫৩ 📍 অবস্থান: রাজশাহী শহরের মতিহার, পদ্মার তীরে। 🏛️ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর দেশের দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। 🕊️ শহীদ ড. শামসুজ্জোহা দিবস — ১৮ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে নিহত ড.শামসুজ্জোহা স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম শহীদ শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। তার স্মরণে প্রতিষ্ঠিত শহীদ জোহা হল। 🗿 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্যসমূহ। 🔥 সাবাস বাংলাদেশ। শিল্পী: নিতুন কুণ্ডু অবস্থান: প্রধান ফটকের পশ্চিমে, তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনের দক্ষিণে। বিবরণ: মুক্তিযুদ্ধের যুবসমাজের সাহস, ত্যাগ ও বিজয়ের প্রতীক। ৪০ বর্গফুট জায়গার মধ্যে যুদ্ধের প্রতিচ্ছবি; পিছনে ৩৬ ফুট দেয়াল, যার উপরে স্বাধীনতার সূর্যের প্রতীক একটি বৃত্ত। ✒️ বিদ্যার্ঘ শিল্পী: শাল্গুন সঙ্গীর সাগর অবস্থান: শহীদ হবিবুর রহমান হলের সামনে বিবরণ: শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে নির্মিত। দুটি অবয়ব—কারও হাতে বন্দুক, কারও হাতে কলম—অস্ত্র ও বুদ্ধির সম্মিলিত সংগ্রামের প্রতীক। একটি ষড়ভুজ ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসের ৬টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে নির্দেশ করে। ⭐ স্ফুলিঙ্গ শিল্পী: কনক কুমার পাঠক। অবস্থান: শহীদ শামসুজ্জোহা হল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে। বিবরণ: ড. শামসুজ্জোহাকে স্মরণে নির্মিত ২৫ ফুট উচ্চ ভাস্কর্য। এতে তার ৩ ফুট উচ্চ আবক্ষ প্রতিকৃতি রয়েছে। 🕯️ বধ্যভূমি স্মৃতিস্তম্ভ। অবস্থান: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পশ্চিমে, শহীদ শামসুজ্জোহা হলের পাশে। বিবরণ: ২৩ এপ্রিল ১৯৭২ সালে আবিষ্কৃত গণকবরের স্মরণে নির্মিত ৬ স্তর বিশিষ্ট স্মৃতিস্তম্ভ। ৪২ ফুট উচ্চ এই স্তম্ভের চারপাশে গোলাকার কংক্রিট বেদি এবং মাঝখানে কূপ, যা মৃত্যুকূপ নামে পরিচিত। কালো ছাপ শহীদদের রক্তের প্রতীক, ভাঙা ইট মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষতচিহ্নকে তুলে ধরে।
Bangla Facts
Public . 15-Nov-2025রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কিত তথ্য!