মানুষের চেহারা দেইখা প্রথম প্রথম যখন ভাল লাগে, তখন মনে হয়- এত সুন্দর একটা মানুষের সব আবদার রাখা যায়। সব কথা মানা যায়। তারে দুঃখ দেওয়া, তার সাথে চিল্লায়া কথা বলা প্রায় অসম্ভব। তারপর যখন সময় যাইতে থাকে, বনিবনা হয়না, মানসিকতার সাথে মিলে না, তখন তার সৌন্দর্য মাথায় থাকেনা। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তার প্রতি বিরক্তি চলে আসে। তার সাথে চিল্লায়া কথা বলা যায়। রাগ অভিমান করা যায়। টানা অনেকদিন যোগাযোগ না রাখা যায়। আবার চেহারা ভাল না, এমন অনেক মানুষ নিয়া প্রথম প্রথম মনে হয়- এর সাথে কেমনে থাকবো? এরে দেখলেই তো গা জ্বলে। পছন্দ হয়না। যখন তার সাথে সময়ের বিনিয়োগ হয়, তখন তার কথা ভাবলেও মন ভাল হয়ে যায়। সুন্দর না- অথচ, তারেই দুনিয়ার সবচেয়ে সুন্দর মানুষ মনে হয়। তারে দুঃখ দিতে ইচ্ছে হয়না। তার প্রতি রাগ দেখাইতে ইচ্ছে হয়না। দু চার ঘন্টা যোগাযোগ না হইলে বুকের ভেতর খচখচ করে। যত সেক্সি, হট, বোল্ড পুরুষ অথবা নারীই হোক না কেন, যত ওয়েল ফিট ফিগারই থাকুক না কেন- মানুষরে নগ্ন করে তার দিকে কিছুক্ষন তাকায় থাকলে সব একই রকম লাগে। বেশি কাছাকাছি পৌঁছানোর পর সব দেহের প্রতিই মোহ কেটে যায়। তবে, মানসিক এটাচমেন্টের ক্ষমতা অন্যরকম। দুজন মানুষ মানসিক ভাবে যদি একে অন্যের প্রতি আগ্রহ অনুভব করে, তবে তাদের মুগ্ধতা অত সহজে নষ্ট হওয়ার বিষয় না। আমার মনে হয়- দুনিয়ার সবচেয়ে সুদর্শন মানুষের প্রতিও আপনার আগ্রহ নষ্ট হতে পারে। যে আপনাকে বুঝে, সে যত অসুন্দরই হোক না কেন- আপনি তাকে আগলে রাখতে চাইবেন। অন্যের চোখে অসুন্দর এমন মানুষের বাড়ি ফেরার অপেক্ষায়ও কেউ কেউ পথের দিকে তাকিয়ে থাকে; এই দৃশ্যের চেয়ে সুন্দর কিছু নেই।
Love Story
Public . 31-Oct-2025ভালোবাসার আসল অনুভুতি গুলো কি?