ইসলামে আত্মরক্ষা (self-defense) করার অধিকার রয়েছে, বিশেষত যখন একজন ব্যক্তির জীবন, সম্মান বা সম্পত্তি হুমকির সম্মুখীন হয়। তবে কিছু সাধারণ নীতির ভিত্তিতে আত্মরক্ষা বৈধ বলে প্রতীয়মান হয়। যেমন: কোরআনের দৃষ্টিভঙ্গি ও আত্মরক্ষার অধিকার। "নিশ্চয়ই, আল্লাহ জালিমদের পছন্দ করেন না।" (সূরা আলে ইমরান ৩:৫৭) এখানে স্পষ্ট যে, অ'ন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করা ইসলামে সমর্থিত। আত্মরক্ষায় হ'ত্যা করা গেলে শা'স্তির বিধান। তোমাদের ওপর কেউ আ'ক্রমণ করলে, তোমরা তার ওপর প্র'তিশোধ গ্রহণ করবে অনুরূপভাবে। (সূরা আল-বাকারা ২:১৯৪) এবার হাদিসের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে জানা যাক। নিজের জান, ইজ্জত ও সম্পত্তি রক্ষায় হ'ত্যার বৈধতা নিয়ে হাদিসে এসেছে। "যে ব্যক্তি নিজের জান-মাল ও সম্মান রক্ষার্থে ল'ড়াই করতে গিয়ে নিহত হয়, সে শহীদ।" (তিরমিজি ১৪২১, আবু দাউদ ৪৭৭২) অর্থাৎ, যদি কেউ নিজের ইজ্জত রক্ষার্থে আত্মরক্ষার জন্য আক্রমণকারীকে হ'ত্যা করে, তবে সে গুনাহগার হবে না। সারমর্ম। ইসলামে আত্মরক্ষা করা অনুমোদিত, বিশেষত সম্মান রক্ষার জন্য। যদি আত্মরক্ষার একমাত্র উপায় হিসেবে ধ'র্ষণকারীকে হ'ত্যা করা হয়, তবে সেটা ন্যায়সংগত। তবে প্রতিশোধের নামে পরিকল্পিত হ'ত্যার অনুমোদন ইসলাম দেয় না। অতএব, যদি কেউ ধর্ষণের শিকার হতে বসে এবং আত্মরক্ষার প্রয়োজনে আক্রমণকারীকে হত্যা করে, তবে সে ইসলামীক দৃষ্টিকোণ থেকে পাপী হবে না।