প্রাচীন মায়া সভ্যতার লিপি!
প্রাচীন মায়া সভ্যতার একমাত্র লিপি যার অস্তিত্ব আজ অবধি খুঁজে পাওয়া গেছে তার নাম ‘মায়া-গ্লিফ’। দক্ষিণ আমেরিকার এই বিস্তীর্ণ অঞ্চল আবিষ্কারের পরে অষ্টাদশ শতকে যখন ইউরোপীয় অভিযাত্রীরা প্রথমবার সেখানকার বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন এক্সক্যাভেট করতে শুরু করল তখন তারা আশ্চর্য হয়ে গেল সেখানকার প্রাচীন লিপির কাঠামো দেখে। প্রথম দর্শনে প্রায় সকলেরই মনে হল এই লিপি প্রাচীন মিশরীয় হায়রোগ্লিফ’এরই কোনও সংস্করণ। তাই তারা এই লিপির নাম দেন মায়ান হায়রোগ্লিফ।
যদিও অনেক চেষ্টা করেও আজ অবধি মিশরীয় হায়রোগ্লিফ লিপির সঙ্গে মায়া-গ্লিফ’এর কোনও যোগাযোগ ভাষাতত্ববিদরা খুঁজে বের করতে পারেননি।
ঐতিহাসিকদের বিশ্বাস মেসো-আমেরিকান প্রদেশগুলিতে, যেখানে আজ থেকে প্রায় চার-পাঁচ হাজার বছর আগে মায়া সভ্যতা গড়ে উঠেছিল সেখানকার একমাত্র লিপি ছিল এই মায়া-গ্লিফ। তবে সভ্যতার একেবারে শুরুর দিকে এই লিপির কোনো অস্তিত্ব ছিল না। লিখিত এই লিপি মায়া সভ্যতায় এসেছে অনেকটা পরের দিকে। আজ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া মায়া-গ্লিফের প্রাচীনতম নিদর্শন বর্তমান রয়েছে গুয়াটেমালা’র সান বারতোলো’তে।
সেখানকার এনক্রিপশনের আনুমানিক সময়কাল তিনশো খ্রিস্টপূর্বাব্দের আশেপাশে, অর্থাৎ মায়া সভ্যতা শুরুর প্রায় তিন হাজার বছর পর।
মায়া-গ্লিফ’এর লেখাগুলি মূলত ছবির মতন পেইন্ট করা হতো সেরামিক, বিভিন্ন দেওয়াল এবং বার্ক পেপারে। এছাড়া কাঠ এবং পাথরের গায়ে খোঁদাইও করা হতো কিছু ক্ষেত্রে। লেখার জন্যে আরও এক রকম পন্থা ব্যবহার করত মায়ান’রা। ‘স্টুকো’ অর্থাৎ প্লাস্টারের মতন এক বিশেষ ধরণের পদার্থে এনক্রিপ্ট করে সেগুলো রোদে শোকানো হতো। মায়া-গ্লিফ আসলে এক ধরণের ‘লোগোসিলেবিক’ সিস্টেম যা লেখা হতো পাশাপাশি সাজানো বেশ কয়েকটি ব্লকে। তবে আজ অবধি যত এনক্রিপশন খুঁজে পাওয়া গেছে তার প্রায় আশি শতাংশই নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে তাদের একটিও সম্পূর্ণ পাঠোদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এর জন্যে অবশ্য ঔপনিবেশিক শাসক স্পেনীয়রাই দায়ী।
সে প্রসঙ্গে পরে কখনো আলোচনা করা যাবে। আপাতত এইটুকুই থাক....
0
0
0
Reacts
0
View
119,268
Comment
0
দেশের প্রথম দৃষ্টিনন্দন আইকনিক রেলস্টেশনে।
দেশের প্রথম দৃষ্টিনন্দন আইকনিক রেলস্টেশনে যা থাকছে তা হল।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের কলাতলী থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের...Read more
2
0
0
Reacts
2
View
32,612
Comment
0
চীনা নাবিক পুন লিম ইতিহাসে নিজের নাম যেভাবে লিখেছেন!
চীনা নাবিক পুন লিম ইতিহাসে নিজের নাম লিখেছেন এক ব্যতিক্রমী ও ভয়াল অভিজ্ঞতার মাধ্যমে। ১৯৪২ সালে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, তার...Read more
0
0
0
Reacts
0
View
60,621
Comment
0
আপনি কি জানেন, মধু কখনো নষ্ট হয় না?🍯
মধুর ভেতরে অল্প পানির পরিমাণ, উচ্চ চিনি এবং মৌমাছির এনজাইম থাকার কারণে এটি এমন একটি প্রাকৃতিক পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে...Read more
1
0
0
Reacts
1
View
61,377
Comment
0
যজ্ঞডুমুর সম্পর্কে অজানা তথ্য!
পৃথিবীর প্রাচীনতম গাছগুলোর একটি হচ্ছে 'যজ্ঞডুমুর' ইংরেজি নাম 'Cluster fig'। এর ফল পাখির পুষ্টি-সমৃদ্ধ খাবার।
পাখিরা পাকা ফল খেলে সেসব ফলের...Read more
0
0
0
Reacts
0
View
116,321
Comment
0
ইংরেজিতে Cox's Bazar বানানে কেন s ব্যবহার করা হয়?
ইংরেজিতে Cox's Bazar বানানে কেন ('s) ব্যবহার করা হয় তা হল।
? কক্সবাজারের প্রাচীন নাম ছিল ‘পালংকী’। একসময় এটি ‘প্যানোয়া’ নামে...Read more
2
0
0
Reacts
2
View
27,752
Comment
0
যে কারনে মুমতাজের স্মরণে তাজমহল নির্মাণ করা হয়।
মুঘল সাম্রাজ্যের পঞ্চম সম্রাট শাহজাহান প্রথম দর্শনেই আর্জুমান্দ বানু বেগমের প্রেমে পড়েছিলেন, যিনি পরবর্তীতে মুমতাজ মহল নামে পরিচিত হন।
১৬০৭...Read more
0
0
0
Reacts
0
View
85,100
Comment
0
হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালা গল্পের মেসেজটা কী?
সাধারণ প্রতিশোধের গল্প হিসাবে পড়া হয়। জর্মন দেশের এক শহরের নাম হ্যামিলন। হ্যামিলনে অনেক ইঁদুর ছিল। মানুষ ইঁদুরের যন্ত্রণায় অস্থির।...Read more
0
0
0
Reacts
0
View
120,132
Comment
0
উটের কী কী অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য রয়েছে?
উট নোনা পানি পান করতে পারে, এমনকি মৃত সাগরের পানিও। এতে তার রক্তচাপ বাড়ে না। কারণ, তার কিডনি পানিকে ফিল্টার...Read more
1
0
0
Reacts
1
View
98,575
Comment
0
পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্রখাত!😲
Aপৃথিবীর সবচেয়ে গভীর সমুদ্রখাত হলো Mariana Trench। এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত এবং এর সর্বোচ্চ গভীরতা প্রায় ১১ কিলোমিটার (১০,৯৮৪ মিটার)!
ভাবতে...Read more
0
0
0
Reacts
0
View
20,562
Comment
0
৩২০০ বছর আগেকার প্রাচীন মিশরের হাজিরা খাতা।
প্রাচীন মিশরের দেইর এল-মেদিনা গ্রাম থেকে আবিষ্কৃত এই হাজিরা খাতা ৩২০০ বছর আগেকার। মাটি খুঁড়ে পাওয়া এই অনন্য তালিকা ছিল...Read more
0
0
0
Reacts
0
View
62,013
Comment
0