বিয়ের আগে একজন তরুন তরুনীর যেসব বিষয় ভাল মতো মাথায় ঢুকানো উচিত, তা হলো: ❖ বিয়ে করবো নীতির কারনে, মানুষ দেখে,তার সম্পদ দেখে নয়। তার পরিবার যেন রুচিবোধ সম্পন্ন পরিবার হয়। একজন ভাল -মার্জিত , সৎ স্কুল শিক্ষকের মেয়ে যেন একজন অসৎ বড় ব্যবসায়ী বা অসক রাজনীতিবিদের মেয়ের চাইতে বেশী প্রাধান্য পায়। একজন ধনীর অকর্মা ছেলের চাইতেও একজন কম বেতনে কষ্ট করে চাকরী করা ছেলে যেন প্রাধান্য পায়। ❖ একজন মডেল মার্কা পাছা দেখানো মেয়ের চাইতে ও ঙ্গানী, পড়ুয়া এবং শালীন পোশাকের মেয়ে যাতে প্রাধান্য পায়। ❖ মেয়েদের একটি সিদ্বান্তে অটল থাকা উচিত, যৌতুক দিতে হলে ঐ ছেলেকে বিয়ে করবো না। আমার বাবা, বিয়ের আগে এক টাকাও খরচ করবে না। এটা তাকে সরাসরি পাত্রকে নিঃসংকোচে জানাতে হবে। এটা মেনে যে পাত্র আপনাকে বিয়ে করবে, সে আপনাকে দাম দিচ্ছে, প্রাধান্য দিচ্ছে। নতুবা আপনি কোরবানীর হাটের গরু/গাভী। ❖ একজক পাত্রকে বলতে হবে, আমার বেতন অনুসারে আমি ৫০ হাজার, ১/৫/১০ লাখ ক্যাশ মাহরানা দিয়ে বিয়ে করতে পারবো। এক টাকা ও বাকী রেখে রৃন রেখে নতুন জীবন, সংসার জীবন শুরু করতে চাই না। এ শর্তে যে মেয়ের পরিবার রাজী হবে, তাকেই বিয়ে করবো। এ শর্ত মেনে যে পরিবার আপনার হাতে মেয়ে তুলে দিবে, তারা আপনার উপর আস্হা রাখছে, কাবিনের টাকা বাকী রেখে যারা আপনার গলায় রৃনের শেকল পড়াতে চায়, তারা আপনাকে বিশ্বাস করে না। তাদের সাথে কিভাবে সম্পর্ক করবেন। ❖ বিয়ের পর পর বাচ্চা নিন। যদি সিরিয়াস কোন অসুবিধা না হয়। ইচ্ছা না থাকলে, বিয়ের আগেই পরিকল্পনা করুন। সেইফটি ম্যাজার নিন, যাতে অপরিকল্পিতভাবে বাচ্চা পেটে আসার পর,নষ্ট করতে না হয়। এটা মারাত্নক গোনাহের কাজ। ❖ বিয়ের কতদিন পরে, মা-বাবা হতে আলাদা থাকবেন আগে থেকেই ঠিক করুন। বাবা মায়ের সাথে বসে পরিকল্পনা করুন। বাবা মা শক্ত থাকলে, তাদেরকে বুঝিয়ে পাশাপাশি থাকতে হলে ও আলাদা থাকুন। এক চুলা যেন স্ত্রী-মায়ের ভাগ করতে না হয়। ঝগড়া শুরু হবার আগেই আলাদা হোন। যদি মা বাবা আপনার উপর আর্থিকভাবে নির্ভরশীল হয়, তাদের যদি আলাদাভাবে টাকা দিতে পারেন, তবে আলাদা হন, নতুবা সাথে রাখুন। যদি আপনি অর্থ যুগানদাতা হোন, তবে স্ত্রীকে চাপে রাখুন যাতে মা-বাবাকে অপমান না করে। ❖ বাবা-মার উপর আপনি নির্ভরশীল হলে, মাকে বলুন, মা, তুমি কি আমার স্ত্রীকে মেয়ের মতো দেখতে পারবে, না পারলে, আমি দরকার হয়, এক রুমের বাসা নিয়ে আলাদা হয়ে যায়, যাতে তোমাদের কষ্ট না হয়। আমার স্ত্রী যদি চাপে থাকে, আমার কষ্ট হলেও ঝগড়া হবার আগে আলাদা হতে চায়। একটা কথা মনে রাখবেন, মুরব্বীদের সাথে থাকতে পারলে ভাল। যদি ব্যালেন্স করা যায়। মুরব্বীরাও যদি সহনশীল হয়। কিন্তু হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা থাকলে, ঝগড়া লাগার আগে ই আলাদা হয়ে যান। তাতে সুসম্পর্ক বজায় থাকবে। মুখ দেখাদেখি অন্তত বন্ধ হবে না। বাবা মা কে যে "ওহ!" শব্দটাও বলা যায় না, তা মাথায় রাখবেন। ❖ বিয়ের আগে পারিবারিক জীবনের উপরে হাদীসগুলো পড়ুন এবং এ বিষয়ের উপরে কয়েকটি ইসলামিক সাহিত্য পড়ে শেষ করুন। স্বামী-স্ত্রী হিসাবে আপনার কি দায়িত্ব। কিভাবে হয় একটি শান্তির পরিবার। জেনে নিন। ❖ গাড়ি কিনতে গেলে দশজনের সাথে পরামর্শ করেন, বাড়ি কিনতে গেলে প্রফেসনাল মর্গেজ ব্রোকার, লয়্যারের কাছে যান, এমনকি একটা জামা কিনতে গেলে ও পরামর্শ করেন, কিন্তু জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্ব বিয়ে করার আগে কোন এক্সপার্টের কাছে কেউ যায় না। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্হায় জীবনে কাজে লাগে এমন কিছুই পড়ানো হয়না। তাই শিক্ষিত মানুষকে অশিক্ষিত মানুষ হতে আলাদা করা কঠিন হয়ে যায়।
Love Story
Public . 19-Sep-2025বিয়ের আগে একজন তরুন তরুনীর যেসব বিষয় জানা উচিত!