আজ যাকে গোটা দুনিয়া Mr. Bean নামে চেনে, সেই মানুষটির আসল নাম হচ্ছে রোয়ান অ্যাটকিনসন। ছোটবেলায় তিনি মুখ খুললেই তার জড়তা আসতো, বিশেষ করে ‘B’ ধ্বনির উচ্চারণে তার ছিল ভীষণ সমস্যা। তবুও, সেই তোতলামি তাকে জীবনে থামিয়ে রাখতে পারেনি। বরং সেটিই একদিন হয়ে ওঠে তার সবচেয়ে বড় পরিচয়ের অংশ। রোয়ান অ্যাটকিনসন প্রথমে নিউক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন। পরে পাড়ি জমান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে, যেখানে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি তার ভেতরের অভিনয়পাগল মানুষটি জেগে ওঠে। সেখানেই কিছু বন্ধু তাকে সাহস জোগায় মঞ্চে নামতে। ধীরে ধীরে হাস্যরস আর শরীরী ভাষার খেলা দিয়ে তিনি গড়তে থাকেন নিজের এক বিশেষ স্টাইল। তিনি বুঝেছিলেন, সবাই শব্দ দিয়ে হাসায়, কিন্তু তিনি পারবেন মুখভঙ্গি, চোখের চাহনি আর দেহের ভঙ্গিমা দিয়ে দর্শকের মন জয় করতে। এমন ভাবনা থেকেই জন্ম নেয় বিখ্যাত ‘Mr. Bean’ চরিত্রটি। Mr. Bean এমন এক চরিত্র, যাকে বোঝার জন্য ভাষা লাগে না। সে কারণেই আজ ১৯৫টি দেশের পর্দায় তার জায়গা; এমনকি যেসব মানুষ ইংরেজি ভাষা জানে না, তারাও Mr. Bean দেখে মুগ্ধ হয়, হাসে, আনন্দ পায়। রোয়ান অ্যাটকিনসনের জীবনের এই গল্প আমাদের শেখায়, প্রতিটি সীমাবদ্ধতা আসলে এক একটি সম্ভাবনা, যদি আপনি নিজের পথটা খুঁজে নিতে পারেন। কথা কম হলেও, অভিব্যক্তি দিয়েই! আপনি হাসাতে পারেন কোটি কোটি মানুষকে!
Bangla Facts
Public . 01-Jun-2025Mr. Bean এর পেছনের মানুষটার গল্প!